বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কিবোর্ডে ‘ফাংশন কি’র কাজ কী?

কিবোর্ডে ‘ফাংশন কি’র কাজ কী?

কিবোর্ডে এফ-১ থেকে এফ-১২ পর্যন্ত ১২টি চাবি বা কি দেখা যায়। এগুলোকে বলা হয় ফাংশন কি। কিবোর্ডের অন্য কিগুলো ব্যবহার করা হলেও ফাংশন কিগুলো অব্যবহৃত থাকে বেশিরভাগ সময়। অনেকে জানেনই না এগুলো কী কাজে লাগে। তাই ব্রাইটসাইটের সৌজন্যে আজ থাকছে ফাংশন কি-এর কাজ।
ফাংশন কি-১ (এফ-১)
কম্পিউটারে কাজ করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় পড়েছেন? তাহলে আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে এফ-১। যেকোনো প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ফাংশন কি-১ চাপলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘হেল্প’ বা সাহায্য অপশনটি খুলে যাবে।
ফাংশন কি-২ (এফ-২)
নির্বাচিত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারকে ‘রিনেম’ করতে, অর্থাৎ পুনরায় নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে ফাংশন কি-২ হতে পারে সহজ একটি সমাধান।
ফাংশন কি-৩ (এফ-৩)
সার্চ ফিচারের জন্য আর অন্য কোথাও খোঁজ করতে হবে না, কারণ চালু থাকা অ্যাপ্লিকেশনের সার্চ ফিচার আপনাকে অনায়াসেই খুঁজে দেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেবে ফাংশন কি-৩।
ফাংশন কি-৪ (এফ-৪)
কিবোর্ডের অল্টার কির সঙ্গে ফাংশন কি-৪ চাপলেই আপনার চালু থাকা উইন্ডোটি বন্ধ হয়ে যাবে।
ফাংশন কি-৫ (এফ-৫)
ডেস্কটপ বা ল্যাপটপকে রিফ্রেশ বা রিলোড করতে এখন আর মাউসের কোনো প্রয়োজন নেই। ফাংশন কি-৫ই যথেষ্ট।
ফাংশন কি-৬ (এফ-৬)
মাউসের কার্সরকে সরাসরি অ্যাড্রেস বারে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে ফাংশন কি-৬-এর কাঁধে।
ফাংশন কি-৭ (এফ-৭)
কম্পিউটারে লিখতে গিয়ে বানান ভুল? ব্যাকরণের কোনো বালাই নেই? আপনার এই সমস্যা দূর করবে ফাংশন কি-৭। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড অ্যাপ্লিকেশনে বানান বা ব্যাকরণগত ভুল বের ফাংশন কি-৭-এর জুড়ি নেই।
ad970
ফাংশন কি-৮ (এফ-৮)
কম্পিউটার চালু করার সময় বুট মেন্যুতে ঢোকার রাস্তা আপনি খুঁজে পাবেন ফাংশন কি-৮ চাপলেই।
ফাংশন কি-৯ (এফ-৯)
ফাংশন কি-৯-এর কাঁধে দায়িত্ব রয়েছে দুটি। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টেকে রিফ্রেশ করার জন্য আপনি ফাংশন কি-৯ ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া মাইক্রোসফট আউটলুকে ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্যও ফাংশন কি-৯-এর ব্যবহার করা যায়।
ফাংশন কি-১০ (এফ-১০)
কম্পিউটারে মেন্যুবার খোলার অন্যতম সহজ উপায় হচ্ছে ফাংশন কি-১০। তবে শুধু ফাংশন কি-১০ চাপলেই মেন্যুবার খোলা যাবে না। কিবোর্ডের শিফট বাটন চেপে ফাংশন কি-১০ চাপতে হবে।
ফাংশন কি-১১ (এফ-১১)
কম্পিউটারকে ফুলস্ক্রিন বা পূর্ণ পর্দায় রূপান্তরিত করার সবচেয়ে সহজ উপায় ফাংশন কি-১১।
ফাংশন কি-১২ (এফ-১২)
শুধু অভ্র সফটওয়্যার দ্রুত চালু করতেই ফাংশন কি-১২ ব্যবহার করা হয় না। কম্পিউটারে ‘সেভ অ্যাজ’ ডায়লগ বক্স চালু করতেও সমান পারদর্শী ফাংশন কি-১২।
ad970

আসছে ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড!

আসছে ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড!

মনের স্মৃতির পাতায় অগণিত স্মৃতি রাখা গেলেও প্রযুক্তির স্মৃতির পাতা বা মেমোরি কার্ডে সেই সুযোগ নেই। সেখানে একটি নির্দিষ্টমাত্রা পেরুনোর পর আর স্মৃতি সংরক্ষণ করা যায় না। সংরক্ষণ করতে চাইলে পুরনো স্মৃতি ফেলে নতুন স্মৃতি তুলে রাখতে হয়। কোন স্মৃতি ফেলে দিবেন আর কোন স্মৃতি তুলে রাখবেন- এটা নিয়ে ব্যবহারকারীকে পড়তে হয় দোটানায়। তবে গ্রাহকদের সেই দোটানা থেকে মুক্তি দিতে স্যানডিস্ক বাজারে নিয়ে এসেছে ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড। 
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে জার্মানির বার্লিনে স্যানডিস্ক তাদের এই মেমোরি কার্ডটি উন্মুক্ত করে। একইদিন মেমোরি কার্ডের পাশাপাশি ১৮ কোর প্রসেসরসমৃদ্ধ মনস্টার পিসি, গ্যাজিলন ভিআর হেডসেটের ঘোষণাও দেয়। 

তবে এতকিছুর মাঝেও আলাদাভাবে নজর কেড়েছে স্যানডিস্কের ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড। প্রথমদিকের ম্যাকবুক প্রোয়ের চেয়ে তিনগুণ বেশি জায়গা রয়েছে এই মেমোরি কার্ডে। যদি আপনি বইয়ের সংগ্রাহক হন তাহলে এই মেমোরি কার্ডে আস্ত একটি ডিজিটাল লাইব্রেরি রাখা সম্ভব। মেমোরি কার্ডে প্রতিটি এক মেগাবাইটের প্রায় চার লাখ বই সংরক্ষণ করা যাবে।  

প্রতিটি ১২ মেগাপিক্সেলের দুই মেগাবাইট আকারের প্রায় দুই লাখ ছবি আপনি সংরক্ষণ করতে পারবেন এই মেমোরি কার্ডে। এ ছাড়া চার মেগাবাইট করে এক লাখ গান, চার জিবি করে প্রায় ৮৮টি হাই-ডেফিনিশন চলচ্চিত্র সংরক্ষণ করা যাবে এই মেমোরি কার্ডে। আর ব্লু রে ছবির ক্ষেত্রে সে সংখ্যা দাঁড়াবে ১৬টি। 
ad970

বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ৩২ জিবি মেমোরি কার্ডে প্রায় এক হাজার ৬০০ ছবি, আট হাজার গান ও সাতটি হাই-ডেফিনিশন ছবি ধারণ করা সম্ভব। অতএব এই হিসেব থেকেই ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ডের বিশালতা আন্দাজ করা যায়। এর আগে মেমোরি কার্ডের সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল ২৫৬ জিবি। নতুন এই মেমোরি কার্ড তাই ভেঙে দিয়েছে অতীত রেকর্ডও। স্যানডিস্কের ৪০০ জিবির এই মেমোরি কার্ডের দাম ধরা হয়েছে ২৫০ মার্কিন ডলার।  
ad970

কলম নির্ণয় করবে ক্যানসার

কলম নির্ণয় করবে ক্যানসার


অসির চেয়ে মসি বড়—এ কথা অন্যভাবে প্রমাণ করলেন অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। কারণ, ক্যানসার কোষ শনাক্ত করতে কোনো যন্ত্রপাতি নয়, তাঁরা সাহায্য নিয়েছেন কলমের। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে টাইমের খবরে প্রকাশ, টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এমন একটি কলম তৈরি করেছেন, যা মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ক্যানসার আক্রান্ত কোষকে শনাক্ত করতে সক্ষম। 
শুধু শনাক্তই নয়, ক্যানসারের কোষকে পুরোপরি দূর করতে কোন কোষগুলো কাটা উচিত, তা বলে দেবে এই কলম। আর এই জাদুকরি কলমের নাম ‘মাসস্পেক পেন’। যদিও ক্যানসার কোষ শনাক্তকরণে শতভাগ নিশ্চিত হতে পারছে না কলমটি। তবে এটি প্রায় ৯৬ শতাংশ নির্ভুলভাবে ক্যানসার আক্রান্ত কোষ ও সুস্থ কোষের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে। 

ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের রসায়নের সহকারী অধ্যাপক লিভিয়া সিচিয়াভিয়ানাতো এবারলিন বলেন, ‘এটি সাধারণ একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া। এতে উচ্চমাত্রার ক্ষমতা রয়েছে, পাশাপাশি এটি বেশ স্পর্শকাতর। সবচেয়ে বড় কথা, ক্যানসার নির্ণয় বা নিরাময়ে অন্যান্য প্রযুক্তির মতো এটি অত ক্ষতিকারক নয়।’ 
ক্যানসার কোষ শনাক্ত করার জন্য কোষের একটি নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠাতে হয়। পরীক্ষাগারে ফল পেতে অনেক সময় লাগে। তবে শল্যচিকিৎসার সময় কোষ হিমায়িত করেও বিশ্লেষণ করা যায়। এতে সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। কিন্তু এই কলমটির উদ্ভাবনের ফলে ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই নির্ণয় করা যাবে ক্যানসার। আর তা হবে প্রায় নির্ভুল। ক্যানসার কোষে সামান্য পরিমাণ পানি যোগ করে এই কলমটির সাহায্যে কর্কট রোগ নির্ণয় করা যাবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। 
ad970

গবেষণাকাজে ২৫ জন ক্যানসার আক্রান্ত স্তন, ফুসফুস, থাইরয়েড ও ডিম্বাশয়ের কোষের পাশাপাশি ভালো কোষের নমুনা এ কলম দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। মাসস্পেক পেনটি এ ক্ষেত্রে ৯৬ শতাংশ সফল হয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যেই ক্যানসার নির্ণয়ে পুরোদমে এর ব্যবহার চালু করতে চান গবেষকরা।
ad970
বছরে হাজার বই পড়ার সহজ উপায়!

বছরে হাজার বই পড়ার সহজ উপায়!

বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। আগে যে সময়টুকুতে বিভিন্ন সাহিত্যের আবেগে ভেসে যেত মানুষ, সে সময়টুকু এখন দ্রুতবেগে কেটে যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে। শুধু দ্রুতবেগেই নয়, দৈনন্দিন জীবনের বড় একটা সময় হারিয়ে যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে, অন্যের জীবনযাপন দেখতে দেখতে। অথচ এক বছরে যে সময়টুক সামাজিক মাধ্যমে বা টেলিভিশনে অনুষ্ঠান দেখে কাটানো হয়, সে সময়ে পড়া যেত প্রায় এক হাজার বই। ব্যবস্থাপনা সংস্থা মিডিয়াকিক্স-এর সাম্প্রতিক একটি গবেষণার বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে ভ্রমণবিষয়ক গণমাধ্যম ট্রাভেল লেজার।

গবেষণাটিতে জানা যায়, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক মেসেঞ্জারের ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন গড়ে ৫০ মিনিট করে সময় ব্যয় করে এগুলোর পেছনে। অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম, যেমন—স্ন্যাপচ্যাট, টুইটারে গড়ে ২৫ মিনিট করে ব্যয় করেন ব্যবহারকারীরা। অন্যদিকে, ইউটিউবের গান ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন জীবন থেকে গড়ে ৪০ মিনিট করে কেড়ে নিচ্ছে। সব মিলিয়ে গড়ে একটি মানুষ তার পুরো জীবনে প্রায় পাঁচ বছর চার মাস বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ব্যয় করে।

অনলাইন গণমাধ্যম ‘বেটার হিউম্যানস’-এর প্রদায়ক চার্লস চু’য়ের মতে, এতটুকু সময়ে আপনি প্রচুর বই পড়তে পারবেন। অপর একটি গণমাধ্যম ‘কোয়ার্টজ’-এ  চু লিখেন, এক বছরে তিনি প্রায় ২০০টি বই পড়েছেন। এ জন্য তাঁকে খুব বেশি কষ্ট করতে হয়নি। শুধু তিনি সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহার কিছুটা কমিয়ে এনেছেন। শুধু মুখেই এ কথা বলে ক্ষান্ত হননি চার্লস চু। রীতিমতো অঙ্ক কষে প্রমাণ করেছেন নিজের কথার।
ad970
চু অঙ্ক কষে বের করেন, একজন মার্কিন নাগরিক প্রতি মিনিটে ২০০-৪০০ শব্দ পড়তে পারেন। ধরে নেওয়া যাক একজন পাঠক প্রতি মিনিটে পড়তে পারেন ৪০০ শব্দ। আর সাধারণ প্রবন্ধের বইগুলো হয় গড়ে ৫০ হাজার শব্দের। চু যতগুলো বই পড়তে চেয়েছিলেন, সেগুলোর সঙ্গে ৪০০ গুণ দেন, এরপর ভাগ দেন ৬০ মিনিট দিয়ে। এরপর দেখা যায় ২০০ বই পড়তে সময় লাগবে ৪১৭ ঘণ্টা।
চু’য়ের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে, একজন মানুষ প্রতিবছর ৬০৮ ঘণ্টা সামাজিক মাধ্যমে এবং ১,৬৪২ ঘণ্টা টেলিভিশন দেখে কাটায়। যোগ করলে যা দাঁড়ায় ২২৫০ ঘণ্টায়। চু’য়ের হিসাব অনুযায়ী ২২৫০ ঘণ্টায় একজন মার্কিন পাঠক প্রায় ১০০০টি বই পড়তে পারবে, প্রতিবছর।
কোয়ার্টজে চু লিখেছেন, ‘এটি আসলে কঠিন কিছু নয়। আমাদের বই পড়ার যথেষ্ট সময় রয়েছে। এ জন্য আমাদের অবসর সময়গুলোতে টুইটারে তারকা এবং টিভিতে ‘ডেসপারেট হাউস ওয়াইভস’ না দেখে বই পড়া উচিত।’ এ ছাড়া বই পড়ার জন্য একটি নীরব ও শান্তিপূর্ণ জায়গা খোঁজার পরামর্শও দেন চু।
ad970

আঙুলের ছাপ বা মুখ দেখেই খুলবে উইন্ডোজ ১০

আঙুলের ছাপ বা মুখ দেখেই খুলবে উইন্ডোজ ১০

মাঝেমধ্যেই ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়াটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। আর এ সমস্যার সমাধান পেতে উইন্ডোজ ১০ নিয়ে এলো উইন্ডোজ হ্যালো। সি-নেটে প্রকাশিত এক প্রতিবদন থেকে জানা যায়, উইন্ডোজ হ্যালোর মাধ্যমে আপনি আপনার মুখমণ্ডল অথবা আঙুল দিয়ে খুলে ফেলতে পারবেন আপনার ল্যাপটপের লক।
সম্প্রতি আইফোন এক্স মুখ পর্যবেক্ষণ করে লক খোলার প্রযুক্তি নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে। তাদের ওই ঘোষণার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মাইক্রোসফট ঘোষণা দিল, তারাও একই রকম প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, তবে তাদের এই প্রযুক্তির নাম রাখা হয়েছে উইন্ডোজ হ্যালো।
উইন্ডোজ হ্যালো মুখমণ্ডল বা আঙুলের ছাপ শনাক্ত করতে পারবে মাত্র দুই সেকেন্ডে। উইন্ডোজ ১০-এর এই সুবিধা পেতে হলে আপনার ল্যাপটপে অবশ্যই ইনফ্রারেড (আইআর) ক্যামেরা যুক্ত থাকতে হবে। বর্তমান ল্যাপটপ ডেল, লেনেভো, আসুসে এই সুবিধা যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আর যদি আপনার নতুন ল্যাপটপ কেনার সামর্থ্য না থাকে, তাহলে আপনি অতিরিক্ত একটি ওয়েবক্যাম কিনে নিতে পারেন, যার মাধ্যমে আপনি এই সুবিধা পেতে পারেন।
ad970
এই নতুন প্রযুক্তি আপনার কম্পিউটারে আছে কি না, তা পরীক্ষা করার একটি সহজ পথ রয়েছে। প্রথমত, আপনি আপনার কম্পিউটারের নিচের দিকে বাঁ পাশে সার্চ অপশনে যাবেন। সেখানে sign-in options লিখে সার্চ দিন। যদি সেখানে Windows Hello এই অপশনটি থাকে, তাহলে সেখান থেকেই দেখে বুঝতে পারবেন, এ প্রযুক্তি আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। আর আপনার ল্যাপটপের যদি ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর থাকে, তাহলে আপনি আঙুলের ছাপের মাধ্যমেও লক/আনলক করতে পারবেন।

একটি বিষয় মনে রাখবেন, আপনার কম্পিউটারে এই পদ্ধতি চালু করার পাশাপাশি পাসওয়ার্ড দেওয়ার সুবিধাটি থাকবে। অবশ্যই পাসওয়ার্ড দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে রাখবেন। কারণ, কোনো কারণে যদি আপনার মুখ বা আঙুলের ছাপের মাধ্যমে লক খুলতে সমস্যা হয়, তাহলে পাসওয়ার্ড দিয়ে লক খুলে নিতে পারবেন।
ad970
ফেসবুক ব্যবহারে তৃতীয় শীর্ষ শহর ঢাকা

ফেসবুক ব্যবহারে তৃতীয় শীর্ষ শহর ঢাকা

যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। ঢাকায় এক কোটি ১৬ লাখ লোক সক্রিয়ভাবে ফেসবুক ব্যবহার করে, যা মোট ব্যবহারকারীর দশমিক ৯ শতাংশ।
বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, ফেসবুক ব্যবহারে প্রথম স্থান দখল করেছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। সক্রিয়ভাবে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ব্যাংককে দুই কোটি ৪০ লাখ। এটি মহানগর ক্যাটাগরিতে মোট ব্যবহারকারীর ১ দশমিক ৩ শতাংশ। এক কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারী নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটি।
‘ডিজিটাল ইন ২০১৭ গ্লোবাল ওভারভিউ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সোশ্যাল মিডিয়া গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘উই আর সোশ্যাল’ ও ‘হুট সুইট’ এই জরিপ কাজ পরিচালনা করে।
বিশ্বের ২৩৯ দেশের ডিজিটাল পরিসংখ্যান ও প্রবণতার বিষয়ে জরিপ চালিয়ে প্রতিষ্ঠান দুটি এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।


জরিপ অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার অবস্থান চতুর্থ, তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের অবস্থান পঞ্চম, মিসরের রাজধানী কায়রো ষষ্ঠ, ব্রাজিলের সাওপাওলো সপ্তম, ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি অষ্টম, পেরুর রাজধানী লিমা নবম ও ভিয়েতনামের হো চি মিন শহর দশম অবস্থানে রয়েছে।
দেশ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। এ দেশে সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২১ কোটি ৪০ লাখ। দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত, তৃতীয় ব্রাজিল, চতুর্থ ইন্দোনেশিয়া, পঞ্চম মেক্সিকো, ষষ্ঠ ফিলিপাইন, সপ্তম তুরস্ক, অষ্টম থাইল্যান্ড, নবম ভিয়েতনাম ও দশম যুক্তরাজ্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মোবাইলে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার বিশ্বব্যাপী দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এই সংখ্যা ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে।







আসছে ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড!

আসছে ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড!

মনের স্মৃতির পাতায় অগণিত স্মৃতি রাখা গেলেও প্রযুক্তির স্মৃতির পাতা বা মেমোরি কার্ডে সেই সুযোগ নেই। সেখানে একটি নির্দিষ্টমাত্রা পেরুনোর পর আর স্মৃতি সংরক্ষণ করা যায় না। সংরক্ষণ করতে চাইলে পুরনো স্মৃতি ফেলে নতুন স্মৃতি তুলে রাখতে হয়। কোন স্মৃতি ফেলে দিবেন আর কোন স্মৃতি তুলে রাখবেন- এটা নিয়ে ব্যবহারকারীকে পড়তে হয় দোটানায়। তবে গ্রাহকদের সেই দোটানা থেকে মুক্তি দিতে স্যানডিস্ক বাজারে নিয়ে এসেছে ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড। 
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে জার্মানির বার্লিনে স্যানডিস্ক তাদের এই মেমোরি কার্ডটি উন্মুক্ত করে। একইদিন মেমোরি কার্ডের পাশাপাশি ১৮ কোর প্রসেসরসমৃদ্ধ মনস্টার পিসি, গ্যাজিলন ভিআর হেডসেটের ঘোষণাও দেয়।


তবে এতকিছুর মাঝেও আলাদাভাবে নজর কেড়েছে স্যানডিস্কের ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ড। প্রথমদিকের ম্যাকবুক প্রোয়ের চেয়ে তিনগুণ বেশি জায়গা রয়েছে এই মেমোরি কার্ডে। যদি আপনি বইয়ের সংগ্রাহক হন তাহলে এই মেমোরি কার্ডে আস্ত একটি ডিজিটাল লাইব্রেরি রাখা সম্ভব। মেমোরি কার্ডে প্রতিটি এক মেগাবাইটের প্রায় চার লাখ বই সংরক্ষণ করা যাবে।  

প্রতিটি ১২ মেগাপিক্সেলের দুই মেগাবাইট আকারের প্রায় দুই লাখ ছবি আপনি সংরক্ষণ করতে পারবেন এই মেমোরি কার্ডে। এ ছাড়া চার মেগাবাইট করে এক লাখ গান, চার জিবি করে প্রায় ৮৮টি হাই-ডেফিনিশন চলচ্চিত্র সংরক্ষণ করা যাবে এই মেমোরি কার্ডে। আর ব্লু রে ছবির ক্ষেত্রে সে সংখ্যা দাঁড়াবে ১৬টি। 




বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ৩২ জিবি মেমোরি কার্ডে প্রায় এক হাজার ৬০০ ছবি, আট হাজার গান ও সাতটি হাই-ডেফিনিশন ছবি ধারণ করা সম্ভব। অতএব এই হিসেব থেকেই ৪০০ জিবির মেমোরি কার্ডের বিশালতা আন্দাজ করা যায়। এর আগে মেমোরি কার্ডের সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল ২৫৬ জিবি। নতুন এই মেমোরি কার্ড তাই ভেঙে দিয়েছে অতীত রেকর্ডও। স্যানডিস্কের ৪০০ জিবির এই মেমোরি কার্ডের দাম ধরা হয়েছে ২৫০ মার্কিন ডলার।  




তিন আইফোনের কোনটি কিনবেন?

তিন আইফোনের কোনটি কিনবেন?

গত ১২ সেপ্টেম্বর ভক্তদের বহুল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাজারে আসে আইফোন ৮ ও আইফোন ৮ প্লাস। তবে সে অনুষ্ঠানে অ্যাপলের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আইফোন ১০ বা আইফোন এক্স প্রকাশ করে সবচেয়ে বড় চমক দেয় প্রতিষ্ঠানটি। তিনটি আইফোনই বাজারে পাওয়া যাবে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে। কিন্তু কোন ফোনটি কিনবেন? আইফোন ৮, আইফোন ৮ প্লাস নাকি আইফোন এক্স। প্রযুক্তিবিষয়ক পত্রিকা দ্য ভার্গে সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে তিনটি ফোনের তুলনামূলক ফিচারের কথা।
আইফোন ৮-এর আকার ৪ দশমিক ৭ ইঞ্চি। অন্যদিকে আইফোন ৮  প্লাসের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ দশমিক ৭ ইঞ্চি। তবে এদের মধ্যে আকারে সবচেয়ে বড় আইফোন এক্স। এর আকার ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চি। শুধু আকারেই নয়, রেজ্যুলেশনেও  আইফোন ৮ ও আইফোন ৮ প্লাসকে মাত করে দিয়েছে আইফোন এক্স। আইফোন এক্সের রেজ্যুলেশন রাখা হয়ছে ২,৪৩৬x১.১২৫ পিক্সেল। অন্যদিকে আইফোন ৮ ও আইফোন ৮ প্লাসের রেজ্যুলেশন রাখা হয়েছে যথাক্রমে ১,৩৩৪x৭৫০ পিক্সেল ও ১,৯২০x১০৮০ পিক্সেল।



স্ক্রিনের ধরনেও এগিয়ে আইফোন এক্স। এতে রয়েছে সুপার রেটিনা ও এলইডি। অন্যদিকে আইফোন ৮-এর স্ক্রিনে রয়েছে রেটিনা এইচডি আইপিএস প্রযুক্তি এবং আইফোন ৮ প্লাসে রয়েছে রেটিনা এইচডি আইপিএস এলসিডি। তবে ব্যাটারির ক্ষেত্রে আইফোন এক্সকে হারিয়ে দিয়েছে আইফোন ৮ প্লাস। যেখানে আইফোন ৮ প্লাসে টানা ২১ ঘণ্টা কথা বলা যাবে এবং ১৩ ঘণ্টা টানা ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা যাবে, সেখানে আইফোন এক্সে কথা বলা যাবে ২১ ঘণ্টা, কিন্তু ব্রাউজিং করা যাবে ১২ ঘণ্টা। পিছিয়ে নেই আইফোন ৮। এতে একটানা কথা বলা যাবে ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টা এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা যাবে ১২ ঘণ্টা।
তবে ইন্টারনাল স্টোরেজের ক্ষেত্রে সমতা রাখা হয়েছে তিনটি ফোনেই।। তিনটি ফোনেরই দুটি করে সংস্করণ বাজারে পাওয়া যাবে। একটি ৬৪ জিবির সংস্করণ, অপরটি ২৫৬ জিবির সংস্করণ। শুধু ইন্টারনাল স্টোরেজেই নয়, তিনটি মোবাইলের সামনে ও পেছনে তিনটি ক্যামেরাতেই রাখা হয়েছে সমতা। প্রতিটি আইফোনের পেছনের ক্যামেরা রাখা হয়েছে ১২ মেগাপিক্সেল এবং সামনের ক্যামেরা রাখা হয়েছে ৭ মেগাপিক্সেল। এ ছাড়া সামনে ও পেছনের ক্যামেরায় ছবি তোলার জন্য থাকবে অগমেন্টেড রিয়েলিটি, ত্রিমাত্রিক ভার্চুয়াল ছবি তোলার সুযোগ। যা শুধু ছবি তোলার ব্যক্তিটিকেই নয়, তার আশপাশের পরিবেশ ও সময়কে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হবে। 



প্রতিটি ফোনে ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যান প্রযুক্তির জায়গা দখল করবে ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তি। অর্থাৎ ব্যবহারকারীর মুখ হবে এর লক খোলার পাসওয়ার্ড। আর ব্যবহারকারীর চেহারা চিনতে এক সেকেন্ডের ১০ লাখ ভাগের এক ভাগ সময় নেবে ফোনগুলো। তিনটি আইফোনেই চার্জিংয়ের ঝামেলা এড়াতে থাকছে তারবিহীন চার্জিং সিস্টেম।
আইফোন ৮-এর দাম শুরু হবে ৬৯৯ মার্কিন ডলার ও আইফোন ৮ প্লাসের দাম শুরু হবে ৭৯৯ মার্কিন ডলার থেকে। অন্যদিকে ৬৪ জিবি সংস্করণের আইফোন এক্সের দাম পড়বে ৯৯৯ ডলার। ২৫৬ জিবি সংস্করণের আইফোন এক্সের দাম পড়বে এক হাজার ১৪৯ ডলার।